বায়োফ্লক এর প্রাণ হল ব্যাকটেরিয়া। এ ব্যাকটেরিয়া গুলোর কার্যকারীতা নির্ভর করে কার্বন সোর্স অর্থ্যাৎ মোলাসেস এর সঠিক পরিমাণে ব্যবহারের উপরে। বায়োফ্লকে কি পরিমাণ মোলাসেস ব্যবহার করব তা নির্নয়ের কয়েক টি কৌশল আছে। গত পর্বে আলোচনা করেছি C:N ratio পদ্ধতি। আজকে আরও ২ টি সহজ পদ্ধতি আলোচনা করব। আসুন জেনে নেই এবং এভাবে প্রয়োগ করি।
কৌশল: ২।।
আমরা যারা বায়োফ্লকে মাছ চাষ করছি বা করব তাদের প্রতিদিন এ্যমোনিয়া ও ফ্লক দেখা উচিৎ। এ্যমোনিয়া টেস্ট করার জন্য কিট আছে। এ্যমোনিয়া লেভেল অনুযায়ী বায়োফ্লক এ প্রতিদিন মোলাসেস বা চিটাগুড় প্রয়োগ করা যায়। ধরুন আপনার ১০০০ লিটারের একটি বায়োফ্লক আছে। এ্যমোনিয়া টেস্ট করে এর মান পেলেন ১ পিপিএম। অর্থ্যাৎ ১ মিলি গ্রাম/লিটার। অর্থ্যাৎ প্রতি লিটারে ১ মি.গ্রা এ্যমোনিয়া আছে। তাহলে ১০০০ লিটারে ১০০০ মি.গ্রা বা ১ গ্রাম এ্যমোনিয়া আছে। এই ১ গ্রাম এ্যমোনিয়াকে নির্মূল করতে ১০০০ লিটারের জন্য ১০/১৫/২০ গুণ কার্বন সোর্স অর্থ্যাৎ ১০/২০/৩০ গ্রাম মোলাসেস দিতে হবে। এভাবে যেকোন পরিমাণ বের করে দিতে পারবেন। মোট পরিমানটি ৩ ভাগে দিন। ফ্লক ৩০-৪০% এবং এ্যমোনিয়া কম থাকলে মোলাসেস দেবার প্রয়োজন নেই। ফিস ট্যাংকে এ্যমোনিয়ার অপটিমাম লেভেল ০.৫ পিপিএম বা এর নিচে রাখুন।
কৌশলঃ ৩।।
আর একটি সহজ হিসেব আছে আপনি যা ফিড দিচ্ছেন তার ৩০ -৩৫ % মোলাসেস প্রতিদিন বায়োফ্লকে দিন। যদি ১ কেজি ফিড লাগে তাহলে ৩০০-৩৫০ গ্রাম মোলাসেস দিন। তবে উপরের দুটি পদ্ধতিই scientific। বায়োফ্লকে সফলতার জন্য বিষয় গুলো জটিল মনে হলেও আয়ওে আনতে হবে।
অামরা প্রচলিত যে মিটারে এ্যমোনিয়া টেস্ট করি ওটা আসলে TAN(total amonia nitrogen) রিডিং দেয়। এই রিডিং মানটি শুধু এ্যমোনিয়া নয়। এখানে এ্যমোনিয়াম এর মাণও প্রদর্শন করে যা কিনা মাছের জন্য ক্ষতি নয় বরং ভালো। এই TAN থেকে এ্যমোনিয়া এর পরিমানটি বের করতে হলে বায়োফ্লক এর পানির pH এবং temperature এর মান চেক করে water management chart/ Amonia factor chart এর সাথে মিলিয়ে এ্যমোনিয়ার পরিমানটি বের করতে হয়।
লেখকঃ
কৃষিবিদ তৌহিদুল ইসলাম শাকিল
Bsc(Fisheries), MS(Aquaculture)
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
Founder & CEO, Modern Agro & Fisheries
General Manager, Rashid Agro Group.
Ex, Project Manager(Fisheries), EON Group.
কৌশল: ২।।
আমরা যারা বায়োফ্লকে মাছ চাষ করছি বা করব তাদের প্রতিদিন এ্যমোনিয়া ও ফ্লক দেখা উচিৎ। এ্যমোনিয়া টেস্ট করার জন্য কিট আছে। এ্যমোনিয়া লেভেল অনুযায়ী বায়োফ্লক এ প্রতিদিন মোলাসেস বা চিটাগুড় প্রয়োগ করা যায়। ধরুন আপনার ১০০০ লিটারের একটি বায়োফ্লক আছে। এ্যমোনিয়া টেস্ট করে এর মান পেলেন ১ পিপিএম। অর্থ্যাৎ ১ মিলি গ্রাম/লিটার। অর্থ্যাৎ প্রতি লিটারে ১ মি.গ্রা এ্যমোনিয়া আছে। তাহলে ১০০০ লিটারে ১০০০ মি.গ্রা বা ১ গ্রাম এ্যমোনিয়া আছে। এই ১ গ্রাম এ্যমোনিয়াকে নির্মূল করতে ১০০০ লিটারের জন্য ১০/১৫/২০ গুণ কার্বন সোর্স অর্থ্যাৎ ১০/২০/৩০ গ্রাম মোলাসেস দিতে হবে। এভাবে যেকোন পরিমাণ বের করে দিতে পারবেন। মোট পরিমানটি ৩ ভাগে দিন। ফ্লক ৩০-৪০% এবং এ্যমোনিয়া কম থাকলে মোলাসেস দেবার প্রয়োজন নেই। ফিস ট্যাংকে এ্যমোনিয়ার অপটিমাম লেভেল ০.৫ পিপিএম বা এর নিচে রাখুন।
কৌশলঃ ৩।।
আর একটি সহজ হিসেব আছে আপনি যা ফিড দিচ্ছেন তার ৩০ -৩৫ % মোলাসেস প্রতিদিন বায়োফ্লকে দিন। যদি ১ কেজি ফিড লাগে তাহলে ৩০০-৩৫০ গ্রাম মোলাসেস দিন। তবে উপরের দুটি পদ্ধতিই scientific। বায়োফ্লকে সফলতার জন্য বিষয় গুলো জটিল মনে হলেও আয়ওে আনতে হবে।
অামরা প্রচলিত যে মিটারে এ্যমোনিয়া টেস্ট করি ওটা আসলে TAN(total amonia nitrogen) রিডিং দেয়। এই রিডিং মানটি শুধু এ্যমোনিয়া নয়। এখানে এ্যমোনিয়াম এর মাণও প্রদর্শন করে যা কিনা মাছের জন্য ক্ষতি নয় বরং ভালো। এই TAN থেকে এ্যমোনিয়া এর পরিমানটি বের করতে হলে বায়োফ্লক এর পানির pH এবং temperature এর মান চেক করে water management chart/ Amonia factor chart এর সাথে মিলিয়ে এ্যমোনিয়ার পরিমানটি বের করতে হয়।
লেখকঃ
কৃষিবিদ তৌহিদুল ইসলাম শাকিল
Bsc(Fisheries), MS(Aquaculture)
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
Founder & CEO, Modern Agro & Fisheries
General Manager, Rashid Agro Group.
Ex, Project Manager(Fisheries), EON Group.

No comments:
Post a Comment