মাছ চাষের পুকুরে অ্যামোনিয়ার প্রধান উৎস হলো মাছের মলমূত্র, অতিরিক্ত খাদ্য ও আলগির পঁচন। যে হারে মাছ মলমূত্র ত্যায়াগ করে, অ্যামোনিয়া সৃষ্টি করে তা খাদ্যের পরিমাণ এবং প্রয়োগকৃত খাদ্যের প্রোটিন পরিমাণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। খাদ্যের মধ্যে থাকা প্রোটিন মাছের শরীরে ভেঙ্গে গিয়ে, কিছু নাইট্রোজেন প্রোটিন গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয় ( যেমনঃ পেশীর বৃদ্ধি ) এবং কিছু শক্তির জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমনঃ মাছের চলাচল)। আর কিছু ফুলকার মাধ্যমে অ্যামোনিয়া হিসাবে নির্গত হয়। সুতরাং, খাদ্যের প্রোটিন হলো, মাছ প্রতিপালিত হওয়া জলাশয়ের বেশিরভাগ অ্যামোনিয়া হওয়ার প্রধান উৎস।
মাছের পুকুরে অ্যামোনিয়ার আর একটি প্রধান উৎস হলো পুকুরের তলায় জমা হওয়া জৈব তালানী। প্রচুর পরিমাণে জৈব পদার্থ, শেওলা বা আলগি ব্লুমের কারণে সৃষ্টি হয় বা মাছের খাদ্য থেকে পানিতে যুক্ত হয়। মাছ এবং মৃত শেওলা বা আলগি দ্বারা সৃষ্ট পচনশীল জৈবপদার্থ গুলো পুকুরের তলায় জমা হয়। যেখানে তলানী গুলো পচে যায়। এই জৈব পদার্থের পচন থেকে অ্যামোনিয়া তৈরি হয়, যা তলানী থেকে পানির সব অংশে ছড়িয়ে পড়ে।
Sadar Amni
মাছের পুকুরে অ্যামোনিয়ার আর একটি প্রধান উৎস হলো পুকুরের তলায় জমা হওয়া জৈব তালানী। প্রচুর পরিমাণে জৈব পদার্থ, শেওলা বা আলগি ব্লুমের কারণে সৃষ্টি হয় বা মাছের খাদ্য থেকে পানিতে যুক্ত হয়। মাছ এবং মৃত শেওলা বা আলগি দ্বারা সৃষ্ট পচনশীল জৈবপদার্থ গুলো পুকুরের তলায় জমা হয়। যেখানে তলানী গুলো পচে যায়। এই জৈব পদার্থের পচন থেকে অ্যামোনিয়া তৈরি হয়, যা তলানী থেকে পানির সব অংশে ছড়িয়ে পড়ে।
Sadar Amni
No comments:
Post a Comment